বর্তমান সময়ে স্মার্টফোনের পাশাপাশি সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে বাটন ফোনের চাহিদাও রয়েছে। সহজে ব্যবহার করা যায়, ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং অনেক মডেলের দাম তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় কল ও এসএমএসের জন্য এসব ফোন বেশ কার্যকর। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ফিচারের ফোন পাওয়া যায় বলে বাটন মোবাইল এর দাম নির্ধারণে মডেল, ব্যাটারি ক্ষমতা, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, মেমোরি এবং অন্যান্য সুবিধার প্রভাব থাকে।
কম বাজেটের ফোনে সাধারণত কল করা, এসএমএস পাঠানো, এফএম রেডিও, টর্চ এবং অ্যালার্মের মতো মৌলিক সুবিধা থাকে। কিছু মডেলে ডুয়াল সিম, মেমোরি কার্ড এবং ব্লুটুথের সুবিধাও পাওয়া যায়। তুলনামূলক উন্নত মডেলগুলোতে বড় ব্যাটারি, উন্নত স্পিকার, বেশি স্টোরেজ কিংবা মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের সুবিধা থাকতে পারে। ফলে কেনার আগে প্রয়োজন অনুযায়ী ফিচার নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।
বাজারে ফোনের দাম দোকান, ব্র্যান্ড এবং মডেলভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। একই মডেলের ক্ষেত্রে নতুন ও পুরোনো সংস্করণের দামেও পার্থক্য দেখা যায়। তাই নির্দিষ্ট বাজেট ঠিক করে কয়েকটি মডেলের ফিচার ও মূল্য তুলনা করা ভালো। পাশাপাশি ওয়ারেন্টি, ব্যাটারির মান, চার্জারের নির্ভরযোগ্যতা এবং বিক্রয়োত্তর সেবার বিষয়গুলোও বিবেচনা করা উচিত।
বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু বা যারা শুধু যোগাযোগের জন্য ফোন ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য বাটন ফোন সুবিধাজনক হতে পারে। সঠিক মডেল বেছে নিলে কম খরচে দীর্ঘদিন ব্যবহারযোগ্য একটি নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের মাধ্যম পাওয়া সম্ভব।
